আমাদের সুস্থ থাকার জন্য চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। পরিষ্কার-জীবাণুমুক্ত খাবার না খেলে সুস্থ জীবন লাভ করা অসম্ভব। তাইতো সবার আগে রান্নাঘর পরিষ্কার রাখার দিকে গুরুত্ব দিতে হয়। রান্নাঘরের নাম এলেই আসে ফ্রিজের কথা। তাই নিয়মিত ভাবে ফ্রিজও পরিষ্কার করতে হবে।

ফ্রিজ পরিষ্কার নিয়ে একেকজনের একেক ধারণা। কেউ হয়তো মনে করেন, তিন-চার মাস পরপর ফ্রিজ পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট। কেউবা ভাবেন, ছয়মাসে একবার ফ্রিজ পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট। আসলে ঠিক কতদিন পরপর ফ্রিজ পরিষ্কার করা উচিত?

ফ্রিজের মধ্যে কাঁচা তরকারি, ফল যেমন থাকে, তেমনই রান্না করা খাবার, সস, মাখন সইবই আমরা ফ্রিজে রাখি। পরিষ্কার না থাকলে ফ্রিজে স্যালমোনেলিয়াস ই-কোলাই এবং লিস্টেরিয়ার মতো ব্যাকটিরিয়া বাসা বাঁধতে পারে।

সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত ফ্রিজ পরিষ্কার করতেই হবে। মাসে অন্তত একদিন করে ফ্রিজ ভালো করে পরিষ্কার করুন। গরম সাবান জলে নরম কাপড় বা স্পঞ্জ ভিজিয়ে ফ্রিজ পরিষ্কার করুন।

পরিষ্কার করার আগে ফ্রিজের বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ করুন। এরপর সব জিনিসপত্র বের করে ফেলুন। এবার সবগুলো তাক বের করে নিয়ে গরম সাবান জলে মুছে, তারপর পরিষ্কার পানিতে মুছে নিন। শেষে শুকনো কাপড় দিয়ে অতিরিক্ত পানি মুছে ফেলুন। একইভাবে ফ্রিজের ভেতরের দেওয়াল পরিষ্কার করুন।

ফ্রিজের তাপমাত্রা রাখুন ৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং ফ্রিজারের তাপমাত্রা সেট করুন ১০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড।

এভাবেই আপনি আপনার ফ্রিজ পরিষ্কার করতে পারেন।
সুতারাং পরিষ্কার রাখুন – সুস্থ থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *